অনুবাদে আর্ট অব ওয়ার

Reading Time: < 1 minute

চাকরী পাওয়া থেকে শুরু করে সহকর্মীদের সাথে সহাবস্থানের পাশাপাশি চাকরি টি রক্ষা করা ও এক যুদ্ধ। জীবন নামের স্রোতস্বিনী নদীতে একের পর এক যুদ্ধরত থাকতে হয়। কখনো শৈবাল আবার কখনো বড় প্রস্তরখন্ড যুদ্ধে প্রতিপক্ষ হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী সাবিদিন ইব্রাহিম অনুবাদ করছেন সান জু’র “আর্ট অব ওয়ার”। যেখানে অনুবাদক একজন প্রকৃত যোদ্ধার গুনাবলী হিসেবে প্রাধান্য দদ দিয়েছেন প্রাজ্ঞ, আন্তরিক, মানবিক, সাহসী, ও কঠোর পরিশ্রমকে।

একজন দক্ষ যোদ্ধা নিজেকে এমন অবস্থানে রাখেন যেখানে জয় নিশ্চিত। সঠিক প্রস্তুতি নিয়ে ই সে যুদ্ধ মাঠে নামে। একাডেমিক পরীক্ষাকে যদি যুদ্ধ মনে করি তবে সিলেবাসের প্রতিটি পার্ট থেকে স্বচ্ছ ধারনা থাকলেই পরীক্ষা নামক যুদ্ধে জয় নিশ্চিত।

পরামর্শ শোনা যুদ্ধে জয় লাভের আরেকটি কৌশল হতে পারে। তবে শত্রুর গোপন টেকনিক গুলো জেনে নেওয়া ও জয়ের সয়াহক হিসেবে কাজে দিবে। নেতৃত্বের ক্ষেত্রে দায়িত্ব বন্টন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সদস্যদের পারফর্মেন্সের মূল্যায়নের মাধ্যমে দলের কর্মস্পৃহা বাড়ানোর পাশাপাশি সঠিক প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে।

সব বয়সী ছাত্র, শিক্ষক, সরকারি উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা সবার জন্য ই জীবন যুদ্ধে জয় লাভের একটি ধারালো হাতিয়ার হতে পারে সান’জু র “আর্ট অব ওয়ার”। যেমনটি ৮ম শতকে জাপান এবং ১৮শ শতকে ফ্রান্সেও যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছিল তা হচ্ছে সান জু’র ” আর্ট অব ওয়ার”। চীনের মহাপ্রাচীর নির্মাতা কিন শি হোয়াং, ভিয়েতনামের সংগ্রামী হো চি মিন, এবং নব্বইয়ের দশকে যুক্তরাষ্ট্রে জেনারেলদের মধ্যে আর্ট অব ওয়ার’র প্রভাব বিদ্যমান ছিল।

Spread the love

Related Posts

Add Comment

error: Content is protected !!