ম্যাক্সিম গোর্কীর ‘মা’

Reading Time: < 1 minute

সবাই যেদিন ব্যাস্ত থাকবে মানবতার সমাধিতে সেদিন ও একজন কে পাওয়া যাবে যার মাধ্যমে জয় হবে মানবতার, জাগ্রত হবে মানুষের প্রতি মানুষের ভালবাসার। তুলনা করছিলাম ম্যাক্সিম গোর্কীর “মা” এর সাথে আমার মা কে। উপন্যাসের প্রধান বিষয় পাভেল এবং তার মা পেলাগোয়া নিলভনার সম্পর্কটি। সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের জন্য তৈরি হতে থাকা রাশিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি বস্তুনিষ্ঠ ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এখানে। স্বামীর সংসারে অবহেলিত নির্যাতিত একজন মেয়ে মানুষ একসময় হয়ে উঠেন রাজনীতি সচেতন ব্যাক্তি।

একমাত্র পুত্র পাভেলের স্বপ্ন ছিল সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। ছেলের স্বপ্ন কে বাস্তবায়ন করতে “মা” ও হয়ে উঠেন সময়ের সৈনিক। মায়ের পাশাপাশি গোর্কী আরও কিছু উদ্যমী এবং সাহসী নারী চরিত্রের প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। নাতাসা, শাসা, লোডমিল্লা, সোফিয়া ও সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিপ্লবে নেমেছেন। আরামদায়ক জীবন ব্যবস্থায় থেকেও সংগ্রামী হয়েছেন সাধারন মানুষের জন্য।

১৯০২ সালের মে দিবসের প্রেক্ষাপটে সাজানো ” মা” উপন্যাসের প্রধান চরিত্র পেলগোয়া নিলভনার সংগ্রামী জীবন নারী পুরুষ তথা এই সমাজের কাছে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে কালে এবং কালোত্তরে। পাভেলের মত হাজারো যুবকের স্বপ্নের সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে তাদের মায়েদের ত্যাগের বিনিময়ে।।

Spread the love

Related Posts

Add Comment

error: Content is protected !!