মারাত্মক ব্যাধির নাম মন খারাপ

Reading Time: < 1 minute

গর্তে পড়ে যাবার পর চুপটি করে থাকলে সেখান থেকে বাঁচতে পারাটা নিরানব্বই ভাগই অসম্ভব। তবে হ্যা, যদি কোন দৈব শক্তিতে বেঁচে যায় তার সম্ভাবনা মাত্র পয়েন্ট জিরো জিরো পারসেন্ট। তাই গর্তে পরে যাবার পরও উদ্ধার হয়ে সুন্দর পৃথিবীটা আরেকবার উপভোগের সুযোগ পাওয়া যাবে যদি নিজের চেষ্টাটা থাকে। বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার অথবা তাৎক্ষনিক কোন কৌশল অবলম্বন করতে হবে।

অপর্ণা (ছদ্ম নাম) ‘র বিষন্নতা ছিল তার সিজিপিএ নিয়ে। চেষ্টা ছিল শতভাগ তবে পড়াশোনার কৌশলটি সঠিক ছিল না বিদায় এক্সপেক্টেশন লেভেল পূরণ হত না। ১ম বর্ষ, ২য় বর্ষ,তয় বর্ষ চলে যায় কিন্তু অপর্ণার মন খারাপের রোগ সাড়ে না। আর সাথে সাথে প্রতিযোগিতায়ও বন্ধুদের থেকে একটু একটু করে অনেক পেছনে ছিটকে পড়ে। খাবারে অনীহা, চোখের নিচে কালি পড়া, খিটখিটে মেজাজ, পরিবারের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকাসহ সব কিছু থেকেই সহজে নিজেকে সরিয়ে নেয়।

চতুর্থ বর্ষে বন্ধুর সহযোগিতায় যোগ দেয় সামাজিক সংগঠনে। অল্প দিনেই তৈরি করে নেয় নিজের জায়গা। ব্যস্ততম দিন পাড় করেই দাপিয়ে বেড়ায় সব জায়গায়। যেখানেই টোপ ফেলে যেন সবচেয়ে বড় মাছটি তার বর্শিতেই ধরা দেয়। সম্পূর্ণ নিজেকে সাহায্য করার অভিপ্রায় থেকেই এখন সুখের হাসি হাসতে পারে সে। খুব সহজেই হয়ে যায় সবার মধ্যমণি। এভাবেই নিজেস্ব প্রচেষ্টায় মন খারাপের মারাত্মক ব্যাধিতে জয় হয় হাজারো অপর্ণাদের গল্প।

Spread the love

Related Posts

Add Comment

error: Content is protected !!