মুগ্ধতায় নেপালে সাতদিন- পর্ব ২

Reading Time: 5 minutes

ভক্তপুর
চিতওয়ান ন্যাশনাল পার্ক থেকে এসে গেলাম প্রাচীন রাজাদের আবাস্থল ভক্তপুর ও পশুপতিনাথ মন্দির। এক সময়ের ভক্তপুর রাজ্যের রাজধানী ছিল ভক্তপুর শহরটি। যেটি বর্তমানে কাঠমান্ডু থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এখানে প্রবেশ মূল্য আমারদের থেকে রাখা হয়েছে জনপ্রতি ৫০০ নেপালি রুপি। আর নেপালিদের ইতিহাসে আগ্রহী করতে কোনো মূল্য নেওয়া হয় না। যে চিন্তাটি চাইলে বাংলাদেশ গ্রহণ করতে পারে। পারে হর্ণবিহীন শহরের বেশ কিছু বিষয়ে ফলো করা- তাহলে আমরা অন্তত এগিয়ে থাকবো তাদের থেকে ৫০ বছর। কারণ আমাদেরও আছে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বগুড়ার মহাস্থানগড়ের মতো জায়গা। যা দিয়ে সরকার রাজস্ব আয় বাড়াতে পারে বহুগুণ।

জানা যায়, এই শহরটি মধ্যযুগীয় শিল্প-সাহিত্য, কাঠের কারুকাজ, ধাতুর তৈরি মূর্তি ও আসবাবপত্রের যাদুঘর বলে পরিচিত। শহরটিতে বৌদ্ধ মন্দির ও হিন্দু মন্দিরের অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়। ৫৫টি জানালা সমৃদ্ধ রাজপ্রাসাদ ও তার অপূর্ব কারুকাজ নেপালের ঐতিহ্য বহন করে। বেশ কিছু ধর্মীয় উপাসনালয় রয়েছে এখানে। প্রাচীন কৃষিভিত্তিক জীবনযাত্রার ছোঁয়াও এখানে পাওয়া যায়। এখানকার স্থানীয়রা এখনও কাঠমান্ডু ভ্যালির অনেক আবাদি জমিতে ফসল ফলায়। এর চিহ্ন মিলে, স্থানীয়দের বাড়ির জানালায় ঝুলে থাকা খড়ের ব্যবহারে। আমরা দেখার সাথে এসবের কিছু ছবি নিলাম অনুমতি নিয়ে। দায়িত্বে থাকা লোকজন দর্শনার্থীদের আন্তরিক সহযোগে সব সময় থাকে, যা বলার মতো। তবে কেনাকাটায় একটু খেয়াল রাখতে হবে!

পশুপতিনাথ মন্দির
১৮ এপ্রিল পশুপতিনাথ মন্দির থেকে আনন্দযাত্রায় যুক্ত হলেন কবি জামসেদ ওয়াজেদ। কাঠমান্ডু শহরের পূর্বদিকে বাগমতি নদীর তীরে মন্দিরটি অবস্থিত। পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন ও বিখ্যাত এই শিবমন্দির ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। এটি এই দেশের প্রাচীনতম হিন্দু মন্দির। হিন্দু ধর্মের অন্যতম প্রধান দেবতা শিবের আরেক নাম পশুপতি।

মন্দির প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বিভিন্ন পৌরাণিক প্রচলিত কাহিনীতে বলা হয়েছে, একবার শিব ও পার্বতি কাঠমান্ডু উপত্যকায় বাগমতী নদীর তীরে বেড়াতে আসেন। নদী ও বনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে শিব পার্বতী মুগ্ধ হয়ে নিজেদের হরিণে পরিণত করে এই এলাকায় ঘুরে বেড়ানো শুরু করলেন। কিছুদিন পরেই দেবতা ও মানুষরা শিবকে খুঁজতে শুরু করলেন। বহুপরে দেবতারা শিবকে খুঁজে পেলেও তিনি এই স্থান ত্যাগ করতে অস্বীকার করেন। শেষ পর্যন্ত শিব ঘোষণা করলেন যেহেতু তিনি বাগমতীর তীরে হরিণ বেশে ঘুরেছেন সেহেতু তিনি এখানে পশুপতিনাথ বা পশুদের অধিকর্তা বলে পরিচিত হবেন। আর তাই হলো।

দেখা যায় পশুপতিনাথের মূল মন্দিরটি নেপালের প্যাগোডা রীতিতে তৈরি। কৌণিক গঠন, কাঠের কারুকার্য এ সবই নেপালের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যরীতির অংশ। মন্দিরটি চারকোণা। একস্তর বিশিষ্ট ভিত্তিভূমির ওপর স্থাপিত মন্দিরটি ভূমি থেকে ২৩.৬ মিটার উঁচু। মন্দিরটির সারা গায়ে সোনা ও রূপার কারুকাজ করা। হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি খোদাই করা হয়েছে মন্দিরের দেয়ালে। দু’স্তর বিশিষ্ট ছাদ তামার তৈরি তাতে সোনার প্রলেপ দেওয়া। মন্দিরটির চারটি প্রধান দরজা। চারটি দরজাই রূপা দিয়ে মোড়া। প্রতিটি দরজার দু’পাশে সোনা দিয়ে প্রধান দেবদেবীদের মূর্তি তৈরি করা হয়েছে। মন্দিরের ভিতরে রয়েছে একটি পবিত্র কক্ষ। এখানে একটি শিবলিঙ্গ রয়েছে। এটি একমিটার দীর্ঘ ও চতুর্মূখ। এই চারটি মুখ শিবের সঙ্গে ঘনিষ্ট সম্পর্কিত চার দেব বিষ্ণু, সূর্য, পার্বতী ও গণেষের। মন্দিরের চূড়া সোনার তৈরি। পশ্চিম দরজার সামনে রয়েছে একটি বিশাল ষাঁড়ের মূর্তি যার নাম নন্দী। নন্দী মূর্তিটি ব্রোঞ্জের তৈরি সোনার প্রলেপ দেওয়া। মূল শিবলিঙ্গটি কালোপাথরে তৈরি ৬ ফুট দীর্ঘ। মন্দিরের ছাদের নিচের দেয়ালে সপ্তদশ শতাব্দীতে কাঠের অপূর্ব কারুকার্যের মধ্য দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে শিব, পার্বতী, গণেশ, কুমার কার্তিক এবং যোগিনীদের মূর্তি। এছাড়া রয়েছে হনুমান, রাম, সীতা, লক্ষ্মণসহ রামায়ণের বিভিন্ন চরিত্র ও পুরাণের বিভিন্ন কাহিনী ও দেবদেবীর ছবি।

মন্দিরের পাশ দিয়ে বয়ে চলা বাগমতী নদী- হিন্দু ও বৌদ্ধ দু’সম্প্রদায়ের মানুষের কাছেই পবিত্র নদী। পুণ্যার্থীরা এই নদীতে স্নান করেন। দেখলামÑ এজন্য নদীর দু’তীরে রয়েছে অনেক ঘাট। লেখা আছে- এর মধ্যে উনিশ শতকে প্রতিষ্ঠিত আর্য ঘাট বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এ ঘাটে শুধু মাত্র নেপালের রাজপরিবারের সদস্যদের মরদেহ দাহ করা হতো। নদীর তীরে গেলেই দেখা যায় সারি সারি চিতা জ্বলছে। গৌরি ঘাট হলো নারীদের স্নানের জন্য বহুল ব্যবহৃত ঘাট। মন্দির তার অপূর্ব শৈল্পিক কারুকার্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য বিশ্ব বিখ্যাত। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটক দেখতে আসছে। মানুষ আর মানুষ যেন মিলনউৎসব!

পাটান দরবার স্কয়ার
এখান থেকে কবি জামসেদ ওয়াজেদসহ পাটান দরবার স্কয়ারে। নেপালের একটি খুবই বিখ্যাত স্থান দরবার স্কয়ার। এটি এখানকার তিনটি দরবার চত্বরের মধ্যে অন্যতম। এই জনপ্রিয় চত্বরে, এই অঞ্চলের শাসনকারী মল্ল রাজাদের প্রাসাদগুলি রয়েছে। এটি আঠার শতক পর্যন্ত নেপালের মল্ল রাজাদের রাজকীয় বাসভবন ছিল। গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানগুলি এই জায়গাতে অনুষ্ঠিত হতো এবং সেই ঐতিহ্য আজও চলে আসছে। প্রাসাদটির সমগ্র কাঠামোটি বিস্তীর্ণভাবে কাঠের খোদাইকাযের্র সঙ্গে খুবই সুন্দরভাবে সুসজ্জিত। সেইসঙ্গে এখানে সুশোভিত প্যানেল ও জানালা রয়েছে।

কাঠমান্ডু দরবার চত্বরের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত কূমারী চৌক হল একটি জনপ্রিয় স্থান। এটি নেপালের এক অন্যতম রহস্যময় আকর্ষণ বলে মনে করা হয়। এখানে একটি পিছল পিঁঞ্জর রয়েছে যেটিতে প্রকৃতপক্ষে প্রাচীন ঐতিহ্যগত চর্চার মনোনয়নের মাধ্যমে একজন যুবতী মেয়েকে রাখা হত। মেয়েটিকে, জনপ্রিয় হিন্দু মাতৃ দেবী, দেবী দূর্গার মনুষ্য অবতার বলে মনে করা হত এবং ধর্মীয় উৎসবের সময় পূজা করা হতো। এখানে অবস্থিত বিভিন্ন প্রাসাদ ও মন্দিরগুলি বেশ কয়েকবার পুর্নসংস্কার করা হয়েছে, যেহেতু তাদের মধ্যে অনেকগুলি অবহেলার দরুণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বা বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। সেগুলোর কাজ দ্রুত করছে এমনটাই দেখতে পেলাম।

ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ থামেল
১৮ এপ্রিল নেপালের কথাসাহিত্যিক কুমার শ্রেষ্ঠার থার্ড আই থিয়েটারের আমন্ত্রণে থামেলে আসি। কাঠমুণ্ডুর প্রাণকেন্দ্র বলা হয় থামেলকে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর ঐতিহাসিক স্থাপনা ছাড়াও আধুনিকতার ছোঁয়া তো আছেই। ঘুরে ঘুরে আমি আর জামসেদ ভাই দেখলাম- রয়েছে স্বল্পমূল্যের হোটেল, রেস্টহাউস ও পানশালা। থামেল অনেকটা বাংলার চকবাজারের মতো। এখানে প্রয়োজনীয় সব জিনিসই কেনাকাটা করার সুযোগ রয়েছে। এই এলাকার অধিকাংশ হোটেল-রেস্টুরেন্ট থাইলে- আর চীনা পর্যটকদের পদচারণায় মুখর।

এই বাজারে পুরুষ বিক্রেতার চেয়ে নারী বিক্রেতার সংখ্যাই বেশি। প্রায় দোকান মালিকের বাড়ি ভারতে আর কর্মচারি নেপালী। এ বাজার থেকে হেঁটে আসি নারায়ণহিতি প্যালেস জাদুঘরে। থামেল থেকে দশ মিনিটের মতো হাঁটা পথ হবে। মূলত এ জাদুঘর ২০০৭ পর্যন্ত নেপালের রাজপ্রাসাদ ছিল। ১৯৬১ সালে রাজা মহেন্দ্র বিশাল এ রাজপ্রাসাদ সংস্কার করেন। নেপালের রাজকীয় সব কাজ, রাজপরিবারের আবাসন, অতিথিদের আবাসন সবই ছিল এ প্রাসাদে। প্রাসাদের দেয়ালে রাজপবিারের বিভিন্ন সদস্যের ছবি, বিভিন্ন কক্ষে তাদের ব্যবহার করা জিনিসপত্র, চেয়ার-টেবিল, খাট-আলমিরা সাজানো আছে এখানে। সাথে আছে রেশমি কাপড়, গরম কাপড়, পর্বতারোহণের সরঞ্জাম, অ্যান্টিক, চিত্রকর্ম, ট্রাভেল এজেন্সি ও ট্যুরিস্ট-স্যুভেনির বা পর্যটন-স্মারক দোকানই বেশি। কথা বলে জানলাম, সন্ধ্যার পর এখানকার নাইট ক্লাবগুলো পর্যটকের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। প্রায় সবাই নেপালের জনপ্রিয় মোমো খেতে ভুল করে না। সেই স্বাদ আমরাও নিলাম। সেই সাথে কিছু কেনাকাটা সেরে নিলাম।

কিছু দোকানে ঢুকে আমরা জিনিসপত্র দেখি। কাঁসা-পিতলের বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি, বুদ্ধমূর্তি, গান-বাজানার নানা সরঞ্জাম, চিত্রকর্ম, কাঠের মুখোশ, নেপালের ঐতিহ্যবাহী খুরপি (একধরনের ছুরি), পুঁতির মালাসহ বিভিন্ন গহনা, ট্যাপেস্ট্রি, নেপালের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থাপনা ও স্থানের ছবি সংবলিত বিভিন্ন স্মারক, ক্যালেন্ডার, শুভেচ্ছা কার্ডসহ পর্যটনের নানা স্মারক পণ্য দিয়ে সাজানো দোকানগুলো। এসব পণ্য কেনার জন্য দোকানগুলোয় পর্যটকের বেশ ভিড়ও লেগেই থাকে।

পর্যটকদের পদচারণা দেখে ভালো লাগছে। আহারে- আমাদের কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, কুয়াকাটা, সুন্দরবন বা অন্য দর্শনীয় স্থানগুলোয় ট্যুরিস্ট শপ বা পর্যটন-স্মারকের কোনো দোকান নেই। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারের মতো জায়গাতেও পর্যটন-স্মারকের দোকান খুঁজে পাওয়া কষ্টকর। কিন্তু ছোট্ট এ থামেল শহরে পর্যটন-স্মারকের অসংখ্য দোকান। অথব বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ, সুন্দরবনসহ ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা বা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আঁধার আমাদের দেশে কম নেই। এমন ভাবনার বাস্তবায়ন কী হবে?

কায়সার লাইব্রেরিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ!
২১ এপ্রিল আসার আগের দিন থামেল হয়ে কাঠমুণ্ডুর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কায়সার লাইব্রেরির আঙ্গিনায় গিয়েছিলাম। ভিতরে প্রবেশ করতে পারিনি। কারণ প্রবেশ নিষিদ্ধ! এই সময়ে কোনো লাইব্রেরীতে প্রবেশ নিষিদ্ধ, ব্যাপারটা ভালো ঠেকায় না। জানা যায়, কায়সার লাইব্রেরিতে কদিন আগেও বিদ্যার্থী আর দর্শনার্থীতে গমগম করত। বিদ্যার্থীদের আনাগোনা ছিল সেখানকার অমূল্য সংগ্রহের কারণে। আর দর্শনার্থীদের আগমন ছিল পুরো স্থাপনা আর সেখানকার বিশাল সংগ্রহের পুরাতাত্ত্বিক মূল্য ও সৌন্দর্যের কারণে। কিন্তু এখন সবই ধুলায় লুটাচ্ছে। যে ধ্বংসাবশেষটুকু দাঁড়িয়ে আছে, সেটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিলের ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক কায়সার লাইব্রেরি ভবনটি এখন সত্যিই ইতিহাস। এমন একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠার পেছনে নেপালের রানা রাজবংশের এক উত্তরাধিকারী কায়সার শমশেরের অবদান রয়েছে। ১৯০৮ সালে ইংল্যান্ড ভ্রমণে গিয়ে তিনি সেখানকার রাজভবন আর এর গ্রন্থাগারগুলোর প্রেমে পড়ে যান। দেশে ফিরে তিনি নিজ বাসভবনে গড়ে তোলেন গ্রন্থাগার। সেটিই আজকের কায়সার লাইব্রেরি। ২৮ হাজার বইয়ের সংগ্রহ আছে এখানে। এসবের মধ্যে বৌদ্ধমত, তান্ত্রিকতা আর জ্যোতিষশাস্ত্রের দুর্লভ বই, প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, এমনকি তালপাতায় লেখা পাণ্ডুলিপিও আছে। আছে এক হাজার ১০০ বছরের পুরনো শুশ্রূতসংহিতা। প্রাচীন সংস্কৃত আয়ুর্বেদ-সংক্রান্ত এই সংগ্রহটি ইউনেসকোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারের তালিকাভুক্ত।

একসময় এখানে যাতায়ত করতো এমন একজন বইপ্রেমী থেকে জানলাম, গ্রন্থাগার বলে সেখানে কেবল বইয়ের সমাহার তেমনটা কিন্তু নয়। সেখানে শিকার করা বিভিন্ন পশুর চামড়া আর মাথা, প্রাচীন মূর্তির সংগ্রহও দেখার মতো। ভবনের নির্মাণশৈলীও প্রত্নতাত্ত্বিক মূল্য ধারণ করে দাঁড়িয়ে ছিল। কিন্তু ভূমিকম্প ধূলিসাৎ করে দিয়েছে সবটা। এখনো যে অবশিষ্টাংশ দাঁড়িয়ে আছে তাতে নিরাপত্তার কথা ভেবে গ্রন্থাগারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পর্যন্ত ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে ব্যর্থ হয়ে আঙ্গিনা দেখেই কেটে পড়লাম আমি আর কবি।

 

প্রথম পর্ব: এখানে

Spread the love

Related Posts

Add Comment

error: Content is protected !!