সঙ্গীত ও প্রজন্মের সমঝদারি

Reading Time: < 1 minute

পর্ব-১ (পাঁচ পর্বে সমাপ্য)
★এস. এম. শাহাদত জামান,

সুর ও অসুরের দ্বন্দ্ব চিরন্তন। সুর ও অসুরের বিনাশ-সৃষ্টির নিরন্তর ছন্দে সমস্ত সংসার। “সুর ও অসুরের এই দ্বন্দ্বে সঙ্গীত ঠিক কোথায়”, প্রশ্নটি অসঙ্গত নয়। সঙ্গীত নিয়ে আলোচনা করতে গেলে সৃষ্টির আদিতে প্রত্যাবর্তন আবশ্যক,যেখানে “সুর ও অসুরের” ক্রিয়ামঞ্চ। বেদ ঠিক এভাবেই সঙ্গীতকে মাহাত্ম্য দিয়েছে। যেখানে বিশ্বসৃষ্টি ও প্রলয়ের ছন্দের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়।

স্থানিক, কালিক কোনোকিছুই সঙ্গীতের বাইরে নয়। সমস্ত কিছুই নৈমিত্তিক ছন্দে পরিচালিত। ইসলামেও এর প্রমাণ পাই।

এই আলোচনার সাথে সঙ্গতি রাখতে হলে সঙ্গীতের খানিক সংকীর্ণ সংজ্ঞায়নই প্রয়োজন। তাহলে সঙ্গীতের বাস্তব ও অনুধাবিত পরিধি কোথায়?

সংকীর্ণ অর্থে বলতে আলোচনাকে সংক্ষিপ্ত করার অভিপ্রায়। যেখানে “সঙ্গীত” ও “গানের” মধ্যে শাস্ত্রগত পার্থক্য তুলে ধরার মাধ্যমে মুল আলোচনায় উপনীত হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।

সমস্ত ললিতকলায় সঙ্গীতের অবস্থান আদৌ কোথায়,সেটি নিরুপণ সত্যিই দুস্কর। কেননা ললিতকলার প্রতিটি কলার আবেদন ও রস ভিন্ন পাত্রে ভিন্নভিন্ন। সেক্ষেত্রে একটি যে রস উদ্রেক করে অন্যটি তার ব্যতিক্রম। তথাপি সাধারণীকরণের প্রশ্নে “সঙ্গীতকে” সবচে প্রিয়তম কলা হিসেবেই দেখেন সবাই। কেননা সঙ্গীত যত সহজে মানব মনে দোলা দেয়,অন্য যেকোনো কলা ততটা সহজে নয়।

সঙ্গীতের একটি সংজ্ঞায়ন করা যেতে পারে এভাবে “শাস্ত্রীয় কিংবা গাণিতিক নিয়মে স্রষ্টার নিজ অভিরুচি অনুযায়ী সৃষ্ট তানই সঙ্গীত”।

Spread the love

Related Posts

Add Comment

error: Content is protected !!