সিনেমা কথন: দশটি বিশেষ চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা

Reading Time: 6 minutes

সিনেমাকে প্রায় সময় জাদুর সাথে তুলনা করা হয় আর তাই অনেক সিনেমা পরিচালককে বলা হয়েও থাকে ম্যাজিশিয়ান৷ জাদুর সাথে সিনেমার পাথর্ক্য হচ্ছে জাদু নিমেষেই শেষ হয়ে যায় কিন্ত একটি ভালো সিনেমার রেশ অনেকক্ষন হৃদয়ে থেকে যায়৷ সিনেমা সাবর্জনীন, সীমান্ত, পতাকা অথবা পাসর্পোট দিয়ে সিনেমাকে আটকে রাখা যায় না এবং একটি ভালো সিনেমা অনেকটা দর্শনের মতো যা পাল্টে দিবে আপনার পৃথিবীকে এবং জীবনকে নিয়ে ভাবার দৃষ্টিভঙ্গি৷ পৃথিবীর সিনেমার ইতিহাসে অনেক ভালো ভালো এবং যুগান্তকারী সিনেমা আছে আর তার মধ্যে কয়েকটা সিনেমা খুঁজে বের করা বেশ দুঃসাধ্য কাজ৷ সিনেমা বাছাই করার এই প্রক্রিয়া তাই সম্পূর্ণ ব্যাক্তিগত৷ লেখকের সম্পূর্ণ ব্যাক্তিগত অভিমত প্রকাশ পেয়েছে নিম্নে আলোচ্য সিনেমাগুলোতে-

১. ফরেস্ট গাম্প: এই সিনেমাটি হলিউডের ক্লাসিক সিনেমা হিসেবে বিবেচিত হয়৷টম হ্যাঙ্কসের অনবদ্য অভিনয় এই সিনেমাটিকে দিয়েছে অন্যরকম মর্যাদা৷ফরেস্ট গাম্প একজন সাধারন মানুষের সব বাধা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার গল্প৷ চলচ্চিত্রটির মূল কাহিনী শুরু হয় ১৯৮১ সালের কোন এক সময়ে, কোন এক বাস স্টেশনে। বোকাসোকা ফরেস্ট গাম্প কিভাবে ঘটনাক্রমে তার জীবনকে আমেরিকার ইতিহাসের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে ফেলে, তারই বর্ণনা ছিল গাম্পের কন্ঠে । কোন রকম চেষ্টা ছাড়াই সে ফুটবল তারকা হয়ে যায়, জন এফ কেনেডির সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার সুযোগ পায়, ভিয়েতনাম যুদ্ধে দেশের হয়ে যোগ দেয়, লাভজনক চিংড়ি ব্যবসায় জড়িয়ে পরে, বছরের পর বছর ধরে গ্রামান্তর দৌঁড়ে অংশ নেয়। শুধু তাই নয়, ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারিও সে উন্মোচন করে। জন লেননের সাথেও সময় কাটিয়েছিল গাম্প। নিজের সরল ব্যক্তিত্ব ও সাদামাটা জীবনে ফরেস্ট গাম সব সময়ই ছোট্ট বেলার বান্ধবী জেনীকে কাছে চেয়েছিলো। কিন্তু নিরীহ, সরল ফরেস্ট গাম আমেরিকার সব বড় বড় ঘটনার সাক্ষী হয়ে ওঠে। তবুও শেষ পর্যন্ত সে সাধারণই থেকে যায়।

২. দ্য গ্রিন মাইল: টম হ্যাঙ্কস অভিনীত আরেকটি অসাধারন সিনেমা৷দ্যা গ্রিন মাইল সিনেমাটি ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট অথবা মূত্যুদন্ড নিয়ে নতুন করে চিন্তা ভাবনা করতে আমাদের বাধ্য করে৷ কিছু অবৈজ্ঞানিক ব্যাপার অবশ্যই আছে তারপরেও সিনেমাটি দেখার পর একজন মানুষকে মূত্যুদন্ড দেওয়া কতটা নৈতিক সেটা নিয়ে আপনি আবারো ভাবতে বাধ্য হবেন৷


৩. থ্রি ইডিয়েটস: দক্ষিন এশিয়ায় আমাদের যাদের বসবাস তারা থ্রি ইডিয়েটস সিনেমাটি দেখিনি এমন মানুষজন খুব কমই আছে৷তিনজন বন্ধুর গল্প চিত্রায়িত হয়েছে এই সিনেমাটিতে৷ এই সিনেমাটির প্রতিটি দৃশ্য একেকটি করে বার্তা বহন করে৷ পড়াশোনা আমরা কেন করি,কীভাবে করি অথবা পড়াশোনা করার উদ্দেশ্য কি এই সবগুলো প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে এই সিনেমাটি দেখলে! এই সিনেমার একটা ডায়লগ আমার খুবই প্রিয় এবং সেই ডায়লগটি এখানে ব্যবহার না করার লোভ সামলাতে পারছি না-
“সাফল্যর পিছনে না ছুটে প্রথম নিজে সফল হওয়ার চেষ্টা করো,সাফল্য তোমার পিছনে তখন ছুটতে বাধ্য হবে”

৪. দ্য ব্ল্যাক সোয়ান: ব্ল্যাক সোয়ানকে তালিকায় কেন রাখা হয়েছে এইটা নিয়ে একটা বিতর্ক হতে পারে তবে আমার মনে হয়েছে ব্ল্যাক সোয়ানকে সিনেমা দেখার এই তালিকায় রাখা একটা ভালো সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে৷ মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে Fear বা ভয়৷ব্যর্থ হবার ভয়ে আমরা অনেক সময় অনেক পদক্ষেপ নিতে পিছিয়ে যাই, যা আমাদেরকে হারার আগেই হারিয়ে দেয়৷ যখন আমরা আমাদের ভয়ের সামনে মুখোমুখি হই এবং ভয়কে হারিয়ে সামনে যাবার প্রস্তুতি নেই তখন আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌছার সবচেয়ে বড় বাধাটা অতিক্রম করতে সমর্থ হই৷ দ্যা ব্ল্যাক সোয়ান সিনেমাটিতে কাইরা পোর্টালি এই অসামান্য ব্যাপারটিকে অনবদ্য ভাবে ফুটিয়ে তুলেছে৷ ১১৮ মিনিটের এই সিনেমাটি দেখা শুরু করলে সিনেমাটি থেকে চোখ সরাতে পারবেন না৷

৫. দ্য ডেভিলস আ্যডভোকেট: দ্য ডেভিলস আ্যডভোকেট কিয়ানো রিভস অভিনীত ১৯৯৭ সালের একটি সিনেমা৷ সিনেমাটি জন মিল্টনের প্যারাডাইস লস্ট সিনেমাটি দ্বারা অনুপ্রানিত৷ দ্য ডেভিলস আ্যডভোকেট সিনেমাটিতে বিবেক, সত্য এবং অর্থ এই ত্রিমুখী বিষয়ের সংঘর্ষ সিনেমাটিকে অন্যরকম মাত্রা দিয়েছে৷ টানটান উত্তেজনাকর এই সিনেমাটি দেখা শুরু করলে সিনেমাটি শেষ না করে উঠতে পারবেন না৷

৬. ইনটু দ্য ওয়াইল্ড: সিনেমাটি আসলে এক যুবকের কথা। এই যুবকের জীবন নিয়েই লেখা হয়েছে Into The wild নামের বইটি এবং এই বইটি থেকেই পরবর্তীতে হয়েছে সিনেমাটি। ১৯৯২ সালের এপ্রিলের ঘটনা। আমেরিকার ইস্ট কোস্টের সম্ভ্রান্ত এক পরিবারের ছেলে, ক্রিস্টোফার জনসন ম্যাক্যান্ডেলস, গ্রাজুয়েশনের পর হাতে যে টাকা-পয়সা ছিল তার সব দাতব্য সংস্থায় দান করে দেয়। নিজের গাড়ি পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়। আইডেন্টিটি কার্ড, ক্রেডিট-ডেবিট সব ধরনের কার্ড পুড়িয়ে ফেলে, এমনকি নিজের সব জামাকাপড়ও ফেলে নতুন মানুষ হিসেবে জীবন শুরু করে। এরপর হাঁটা শুরু করে উত্তর আমেরিকার পথে পথে। তার পরিবারের কাছে এসবের কিছুই জানা ছিল না। তাদের চোখে ক্রিস্টোফার এক আদর্শ সন্তান, ভালো ছাত্র, ভালো অ্যাথলেট। তাদের কথা সে সবসময় মুখ বুজে মেনে চলেছে। তবে?
ছেলের খবর তারা পান ছেলের মৃত্যুর পর। প্রায় চার মাস পর আলাস্কার এক জনমানবহীন এলাকায় এক পরিত্যক্ত বাসে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। আলাস্কার ঠাণ্ডায় জমে নয়, বরং বুনো আলু খেয়ে মারা গিয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট অন্তত তা-ই বলে। সে এই চার মাস তার সেই যাযাবর স্বপ্নটা পূরণ করতে পেরেছে? পেরেছে সত্যিকারের ‘মুক্ত মানুষ’ হতে? পেরেছে প্রকৃতির মধ্যে হারিয়ে যেতে?চমৎকার এই সিনেমাটি দেখার পর নতুন করে জীবন সমন্ধে অনেক কিছুই ভাবতে শুরু করবেন আপনি!

৭. দ্য থিওরি অফ এভরিথিং: The Theory of Everything মুভিটি পরিচালনা করেছেন জেমস মার্শ এবং গল্পের লেখক ছিলেন অ্যান্টনি ম্যাককার্টেন। ২০১৪ সালে দ্য থিওরি অফ এভরিথিং মুক্তি পায় ।কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পটভূমিতে নির্মিত ছবিটিতে তাত্ত্বিক পদার্থবিদ স্টিভেন হকিংয়ের জীবনী ও তার স্ত্রী জেনের সাথে তার সম্পর্ক, তার অ্যামিওট্রফিক ল্যাটারাল স্কেরোসিসের চিকিৎসা ও পদার্থবিজ্ঞানে তার সাফল্যের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমাটি মুক্তির পর সমলোচক এবং দর্শকদের কাছ থেকে ভালো সারা পেয়েছে৷


৮. দ্য ইমিটেশন গেইম: The Imitation Game চলচ্চিত্রের শিরোনামটি অ্যালান টুরিঙের ১৯৫০ সালের সেমিনাল পেপার “কম্পিউটিং মেশিনারি অ্যান্ড ইনটেলিজেন্স”-এ “মেশিন কি চিন্তা করতে পারে?” এই প্রশ্নের উত্তরে প্রস্তাবিত গেমের নামের থেকে নেওয়া হয়েছে। এই চলচ্চিত্রে বেনেডিক্ট কাম্বারব্যাচ ব্রিটিশ তথ্যগুপ্তিবিদ্যা বিশ্লেষক অ্যালান টুরিং চরিত্রে অভিনয় করেন। টুরিং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকারের হয়ে জার্মান গোয়েন্দাদের বার্তা বিশ্লেষণ করে অর্থ খুঁজে বের করতেন।

ইতিহাসবেত্তাগণ ধারণা করেন এনিগমার অর্থোদ্ধারের কারণে যুদ্ধ দুই বছরের মধ্যে সমাপ্ত হয় এবং ১৪ মিলিয়নের অধিক প্রাণ বেঁচে যায়। ৫০ বছরের অধিক সময় এটি সরকার কর্তৃক গোপন রয়ে যায়। টুরিঙের কাজ পরবর্তী প্রজন্মকে গবেষণায় অনুপ্রাণিত করে, বিজ্ঞানীরা তার কাজের নামকরণ করেন “টুরিং মেশিন্স”। আজ, আমরা তাকে কম্পিউটার নামে ডাকি। সিনেমাটির ব্যাপকতা এই কয়েকটি বাক্যে প্রকাশ করা সম্ভব না৷ব্যাপক আকারে জানতে হলে চলচ্চিত্রটি অবশ্যই দেখতে হবে৷


৯. দ্য চার্লি অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাকটরি: The Charlie and the Chocolate Factory অত্যন্ত আলোচিত একটি গল্প । রুয়াল দাল এর সৃষ্টি এ গল্পটিতে দেখা যায় একটি অত্যন্ত দরিদ্র, সাধারন,কিশোর বয়সী একটি বালককে যার পরিবারে রয়েছেন তার দাদাভাই জো,দাদিমা জোসেফিন,নানাভাই জর্জ ও নানিমা জর্জিনা । আর রয়েছেন চার্লির বাবা মিস্টার বাকেট এবং তার মা মিসেস বাকেট। সৌভাগ্যক্রমে এই দরিদ্র বালকের সুযোগ হয় এক চমকপ্রদ চকলেট কারখানায় কাজ করার এবং তার উপর ভিত্তি করেই পুরো সিনেমাটি তৈরি৷চকলেট কারখানার মালিক হওয়ার জন্য তাকে আরো পাঁচটি শিশুর সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে হয় আর তার উপর ভিত্তি করেই পুরো সিনেমাটি শুরু এবং শেষ হয়৷জনি ডেপ অভিনীত এই সিনেমাটি আসলেই চমকপ্রদ এবং দেখার তালিকায় অবশ্যই থাকা উচিৎ বিশেষ করে শিশুদের৷

১০. দ্য টার্মিনাল: The Terminal মুভিটি পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গের আরেকটি অসাধারণ সৃষ্টি। এর প্রযোজনায় স্টিভেন স্পিলবার্গসহ রয়েছেন ওয়াল্টার এফ পার্ক এবং লরি ম্যাকডোনাল্ড৷ ফরেস্টের কথা মনে আছে নিশ্চয়ই? সেই ফরেস্ট গাম্প! আলাভোলা, নিষ্পাপ, সাদা মনের একজন মানুষ। কার না পছন্দ এই চরিত্র?! ফরেস্ট গাম্প দেখার এতোদিন পরেও যেনো সেই টম হ্যাংকসকেই খুঁজে বেড়াচ্ছিলাম। শেষ-মেশ যেনো পেলাম! 😀 ‘The Terminal’ এর Navorski এর চরিত্র যেনো ঠিক সেই ফরেস্টেরই প্রতিরূপ!
পুরো নাম Viktor Navorski. ইউরোপের Krakozhia নামক এক দেশের বাসিন্দা সে। বিশেষ এক কাজে নিউইয়র্কে আসে সে। কিন্তু JFK এয়ারপোর্টে ল্যান্ডিং এর পর ইন্সপেকশন এর সময়ই নাভোরস্কিকে আটকে দেয় কাস্টমস। জব্দ করে নাভোরস্কির পাসপোর্ট এবং রিটার্ন টিকেট। কারণ নাভোরস্কি যখন JFK এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করে তখন তার দেশ Krakozhia তে বিদ্রোহীরা সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ায় আমেরিকা আর Krakozhia কে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করে। তাই নাভোরস্কির পাসপোর্ট আর ভ্যালিড থাকে না। কাগজে-কলমে নাভোরস্কি হয়ে পড়ে দেশ বিহীন একজন মানুষ। এখন সে নিউইয়র্কের মাটিতে পা রাখতে পারবে না, আবার নিজ দেশেও ফেরত যেতে পারবে না। ইউ.এস কাস্টমস এন্ড বর্ডার প্রটেকশন নাভোরস্কিকে JFK এয়ারপোর্টের ইন্টারন্যাশনাল টার্মিনাল লাউঞ্জে অপেক্ষা করতে বলে। নাভোরস্কির হাতে ধরিয়ে দেয় বেশ কিছু ফুড কুপন আর ডায়ালিং কার্ড। একটা লাগেজ আর বাদামের ক্যান বাদে নাভোরস্কির আর কোনো সম্বলও নেই। অল্প-স্বল্প ইংরেজি কথা বলার জ্ঞান নিয়ে টার্মিনালের পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে চেষ্টা করে সে। এরপর ধীরে ধীরে ঘটতে থাকে মজার মজার সব ঘটনা। নাভোরস্কি কি পারবে টার্মিনাল থেকে মুক্ত হতে? সে কি নিউইয়র্কের মাটিতে পা রাখতে পারবে নাকি ফিরে যেতে হবে নিজ দেশ Krakozhia তে?


স্টিভেন স্পিলবার্গের পরিচালনায় ‘The Terminal’ মুভিতে Viktor Navorski এর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সবার প্রিয় টম হ্যাংকস। এতোটা দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন যে মুভিটা শুরু করলে আপনি এক বসাতে দেখতে বাধ্য। মুভিটা দেখার সময় আমার বারবার সেই ফরেস্ট গাম্পের কথা মনে পড়ছিলো :’) কে জানে আপনাদেরও হয়তো ফরেস্টের কথা মনে পড়ে যাবে! 🙂 ফ্রান্সের প্যারিস এয়ারপোর্টের টার্মিনাল-১ এ ১৯৮৮ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত Mehran Karimi Nasseri এর দীর্ঘদিন আটকে থাকা ঘটনা থেকে আংশিক অনুপ্রাণিত হয়ে স্পিলবার্গ ‘The Terminal’ তৈরি করেছেন। মুভির অন্যান্য চরিত্রে ছিলেন Catherine Zeta-Jones, Stanley Tucci, Diego Luna, Zoe Saldana, Chi McBride, Kumar Pallana, Barry Shabaka Henley সবাই ই ভালো অভিনয় করেছেন। এদের মধ্যে Catherine Zeta-Jones এর কথা আর না-ই বা বললাম! 😉 মুভিটা দেখতে দেখতে আপনি টম হ্যাংকসের কার্যকলাপ দেখে হেসে উঠবেন একটু পর পর, আবার টমের আবেগের সাথে যেনো নিজেকে আর আটকে রাখতে পারবেন না কিছু দৃশ্যে।
সব মিলিয়ে বলবো এটা স্পিলবার্গ-হ্যাংকস জুটির সবচেয়ে সেরা সিনেমা না হলেও, দেখার জন্য দারুণ উপভোগ্য। স্পিলবার্গ-হ্যাংকস জুটির জন্য হলেও এই চমৎকার মুভিটা বারবার দেখা যায়!

Image Credit: IMDb, Netflix

Spread the love

Related Posts

Add Comment

error: Content is protected !!